রবিবার, ১২ Jul ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন
তুরুপের তাসেও হয়তো শেষরক্ষা হল না। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ৩ এপ্রিল আস্থা ভোটের আগে কোনও বড় অঘটন না ঘটলে তার সরকারের পতন নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।
দুদিন আগেই শরিক পিএমএল-কিউকে পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন ইমরান। মনে হচ্ছিল, তার এই চালে কিছুটা বেসামাল হয়ে পড়ল বিরোধীরা। কিন্তু ইমরানের পিটিআই আরও বড় ধাক্কা খেল বুধবার। বুধবার সকালেই পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি দাবি করেন, শাসক জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক এমকিউএম-পির সঙ্গে তাদের সমঝোতা সম্পূর্ণ।
পরে সাংবাদিক বৈঠকে এমকিউএম-পিও জানিয়ে দেয়, ‘জাতীয় স্বার্থে’ তারা বিরোধী জোটে যোগ দিচ্ছে। এই দলের দুই মন্ত্রী-সহ সাত জন এমপি রয়েছেন। ফলে এক ধাক্কায় ইমরানের সাতটি ‘উইকেট’ পড়ে যায়।
পিটিআইয়ের আরেক জোটসঙ্গী বেলুচিস্তান আওয়ামি পার্টিও সরকারের হাত ছেড়েছে। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে তাদের পাঁচ সদস্যের মধ্যে একমাত্র কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জুবেদ জালাল ছাড়া বাকি চার জন জোট ছাড়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন। এমনকি পিএমএল-কিউয়ের পাঁচ এমপি-র মধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রী তারিক বশির চিমা ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন।